ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
amaderkhobor24.com

স্থূলতা একটি রোগ, প্রতিরোধে যে ৬টি কাজ করতেই হবে

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

স্থূলতা একটি রোগ, প্রতিরোধে যে ৬টি কাজ করতেই হবে

এই মুহূর্তে বিশ্বে ১০০ কোটি মানুষ ওবেসিটি বা স্থূলতায় ভুগছেন। আশঙ্কার কথা হচ্ছে, এর মধ্যে ৪০ কোটি শিশু ও কিশোর-কিশোরী। স্থূলতা যে হারে বাড়ছে, তাতে ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষই স্থূলতা বা ওজনাধিক্যে আক্রান্ত হবেন। প্রতিবছর ১৭ লাখ অকালমৃত্যুর জন্য দায়ী স্থূলতাজনিত অসংক্রামক ব্যাধি। এটা মাথায় রেখে আজ ৪ মার্চ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব স্থূলতা দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘কমপক্ষে ৮০০ কোটি কারণ রয়েছে কেন আপনি স্থূলতা প্রতিরোধে সচেতন হবেন।’

আপনার ওজন কি ঠিক আছে
আপনার ওজন ঠিক আছে কি না তা জানতে দরকার কেবল একটি ওজন মাপার যন্ত্র আর একটি ফিতা। নিজের ওজনকে (কিলোগ্রামে) উচ্চতার বর্গ (মিটার) দিয়ে ভাগ করলে পেয়ে পাবেন বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই।

এ ছাড়া স্মার্টফোনে ডাউনলোড করে নিতে পারেন বিএমআই ক্যালকুলেটর। যদি এই বিএমআই ২৫ বা তার বেশি হয়, তবে বুঝতে হবে আপনি ওভারওয়েট বা ওজনাধিক্যে ভুগছেন। আর যদি ৩০-এর বেশি হয়, তবে আপনি স্থূলতা বা ওবেসিটিতে ভুগছেন।

বিএমআই ৪০-এর বেশি হলে তা গুরুতর অবস্থা বোঝায়। এশীয়দের ক্ষেত্রে অনেক সময় এই সূচক আরও কমিয়ে ধরা হয়। ২৩ বা তার বেশি হলে ওভারওয়েট এবং ২৭ বা তার বেশি হলে স্থূল ধরা যায় এশীয়দের।

স্থূলতা প্রতিরোধে ৬টি করণীয়
স্থূলতা প্রতিরোধে প্রতিদিনের জীবনে ৬টি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে উৎসাহ দিচ্ছে বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি। সংখ্যা বিচারে তা সাজানো হয়েছে নিম্নরূপে—

  • শূন্য চিনি বা চিনিযুক্ত পানীয়
  • এক ঘণ্টা ব্যায়াম বা শারীরিক কসরত
  • দুই ঘণ্টার কম স্ক্রিন টাইম
  • তিন বেলা পরিমিত খাবার
  • চারটি মূল ভিত্তির চিকিৎসা
  • পাঁচবার নানা ধরনের ফল ও সবজি গ্রহণ
  • কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা ঘুম

মনে রাখবেন
মনে রাখতে হবে, স্থূলতা একটি রোগ, কেবল একটি অবস্থা নয়। এর সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধব্যবস্থা আছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে চার শতাধিক রোগবালাইয়ের সঙ্গে স্থূলতা সম্পর্কিত।

স্থূলতা চিকিৎসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বাজারে নানা টোটকা, হারবাল বা ভ্রান্ত ডায়েট পদ্ধতি প্রচলিত আছে। এগুলোর কোনোটিই বিজ্ঞানসম্মত নয়; বরং মাত্র ৬টি অভ্যাস চর্চার মাধ্যমে আপনি স্থূলতাকে ঠেকাতে পারেন।

তাই এই অভ্যাস চর্চা করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসা নিতে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Link copied!