ঢাকা শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
amaderkhobor24.com

বৃষ্টিতে সবুজ–সতেজ শ্রীমঙ্গলের চা–বাগান

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

বৃষ্টিতে সবুজ–সতেজ শ্রীমঙ্গলের চা–বাগান

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের চা–বাগানগুলোয় কয়েক মাস ধরেই ছিল রুক্ষতার ছাপ। শীতের শুরুতে গাছ ছাঁটাইয়ের পর দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক বাগানে কৃত্রিম সেচে পানি দিতে হচ্ছিল। তবে গতকাল শুক্রবার রাত থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত হওয়া বৃষ্টিতে বদলে গেছে সেই দৃশ্য।

বৃষ্টির ছোঁয়ায় ধুলাবালু ধুয়ে চা–বাগানজুড়ে ফিরেছে সতেজ সবুজ ভাব। চা–বাগানসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মৌসুমের শুরুতেই এই বৃষ্টি চা উৎপাদনের জন্য ইতিবাচক বার্তা নিয়ে এসেছে। বৃষ্টির পরপরই চা–গাছে কুঁড়ি বের হতে শুরু করে। এতে মৌসুমের শুরুতেই চা–পাতা সংগ্রহ করা সম্ভব এবং উৎপাদনও বাড়তে পারে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ১৩ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ ভোর পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে মোট ৪৪ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেও এ অঞ্চলে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এতে চা–বাগানসহ কৃষি খাতের জন্য ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

উপজেলার ভাড়াউড়া, জেরিন, ফুলছড়া, কাঘাটলিসহ বিভিন্ন চা–বাগান ঘুরে দেখা গেছে, সবুজ পাতায় ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে চা–বাগানগুলো।

এই বৃষ্টি চা–বাগানের জন্য উপকারী বলে জানান ইস্পাহানি জেরিন চা–বাগানের উপমহাব্যবস্থাপক সেলিম রেজা। তিনি বলেন, শীত শুরুর পর থেকেই তাঁরা কৃত্রিমভাবে চা–গাছে পানির ব্যবস্থা করে আসছিলেন। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় গাছগুলো কিছুটা রুক্ষ হয়ে পড়েছিল।

বাংলাদেশীয় চা সংসদের (বিসিএস) সিলেট অঞ্চলের চেয়ারম্যান ও ফিনলে চা ভাড়াউড়া ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক গোলাম মোহাম্মদ বলেন, ‘নতুন চা–গাছ এবং প্রুনিং করা গাছগুলোর জন্য এই বৃষ্টি খুবই উপকারী। ইতিমধ্যে অনেক গাছে কুঁড়ি দেখা যাচ্ছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলে খুব দ্রুত চা–পাতা সংগ্রহ শুরু করা সম্ভব।’

Link copied!