প্রকাশিত: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ইরানের কামিকাজে ড্রোন মোকাবেলায় সহায়তা দেওয়ার বিনিময়ে ইউক্রেন অর্থ ও প্রযুক্তি চায় বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ইতোমধ্যে কিয়েভ অঞ্চলটিতে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে বলেও তিনি জানান।
জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, তিনটি দল মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে, যারা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূল্যায়ন করবে এবং ড্রোন প্রতিরক্ষা কীভাবে পরিচালনা করা উচিত তা প্রদর্শন করবে। এর আগে তিনি বলেছিলেন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে, পাশাপাশি জর্দানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতেও দল পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এটি কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার বিষয় নয়। আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নেই।’
জেলেনস্কি জানান, উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ড্রোন-সংক্রান্ত চুক্তি হতে পারে এবং এই সহায়তার বিনিময়ে ইউক্রেন কী পাবে তা এখনো আলোচনা সাপেক্ষ।
তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য এখন প্রযুক্তি ও অর্থ—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
ইরানের শাহেদ ড্রোন মোকাবিলায় উপসাগরীয় দেশগুলো বিপুল পরিমাণ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেন প্রতিরাতে রাশিয়ার ড্রোন ভূপাতিত করছে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে, যার মধ্যে তুলনামূলক সস্তা ছোট ড্রোন বা জ্যামিং সরঞ্জামও রয়েছে।
জেলেনস্কি জানান, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশ ইউক্রেনের কাছে এসব হামলা মোকাবিলার কৌশল সম্পর্কে সহায়তা চেয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ড্রোন ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ইউক্রেনের সহায়তার প্রয়োজন নেই।
জেলেনস্কি বলেন, কিয়েভ বহু মাস ধরে যে বড় ড্রোন চুক্তির জন্য চাপ দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো তা কেন স্বাক্ষর করেনি তিনি জানেন না এবং আদৌ তা হবে কি না সেটিও অনিশ্চিত।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করতে চেয়েছিলাম।’
এ ছাড়া তিনি ইউক্রেনের কিছু কম্পানি ও কয়েকটি বিদেশি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, তারা কিয়েভের অনুমোদন ছাড়া অ্যান্টি-ড্রোন সরঞ্জাম নিয়ে চুক্তি করার চেষ্টা করেছে।
আপনার মতামত লিখুন :