ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
amaderkhobor24.com
কী বলছে কমিটি

শান্তির নোবেল উঠছে কার হাতে?

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম

শান্তির নোবেল উঠছে কার হাতে?

অস্থিতিশীল বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তনের বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটি। একই সঙ্গে পুরস্কারের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যারা বিশ্ব শান্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন পথ তৈরি করছেন, তাদের কার্যক্রমও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কমিটি। চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর ঘোষণার আগে সোমবার ওই মন্তব্য করেছেন কমিটির সেক্রেটারি হার্পভিকেন।

পাঁচ সদস্যের নরওয়েজীয় নোবেল কমিটির সেক্রেটারি ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন সম্ভাব্য নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের নথি প্রস্তুত করেন এবং আলোচনায় অংশ নেন। তবে বিজয়ী বাছাইছের ক্ষেত্রে ভোট দেন না তিনি। এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম আগামী শুক্রবার ঘোষণা করবে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি।

সোমবার এক সাক্ষাৎকারে কমিটির কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে হার্পভিকেন বলেন, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন পরিবর্তনের দিকে গভীরভাবে নজর রাখছে কমিটি।

‘‘আমরা কী পেছনে ফেলে যাচ্ছি তা আমরা জানি। তবে এর কতটুকু টিকে থাকবে এবং কী রূপে থাকবে তা আমাদের জানা নেই; আর সামনে কী আসছে, সে সম্পর্কে তো আমরা নিশ্চিতভাবেই জানি না।”

তিনি বলেন, “কমিটি তার আলোচনায় নিশ্চিতভাবেই এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। কারণ আমরা আন্তর্জাতিকভাবে যেসব প্রবণতা দেখতে পাচ্ছি, তার কিছু কিছু এমন বিষয়কে হুমকির মুখে ফেলছে; যা নোবেল শান্তি পুরস্কার তার পুরো ইতিহাসজুড়ে লালন করে এসেছে।”

১৮৯৫ সালে সুইডিশ শিল্পপতি আলফ্রেড নোবেলের উইলের মাধ্যমে সৃষ্ট এই শান্তি পুরস্কার তাকেই দেওয়া হয়, যিনি বা যারা “জাতিগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি, স্থায়ী সেনাবাহিনী বিলুপ্ত কিংবা হ্রাস এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা ও প্রসারে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে।”

নতুন বিশ্বব্যবস্থা কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে কাজ করা কাউকে কমিটি কোনো এক পর্যায়ে নোবেল বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করতে পারে কি না; এমন প্রশ্নে হার্পভিকেন বলেন, “অবশ্যই, এটা স্পষ্ট আমরা এখন যে পরিবর্তনশীল সময় পার করছি, তার মধ্যে যারা নতুন প্রতিষ্ঠান, নতুন উদ্যোগ এবং কাজের নতুন পথ তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছেন, তা আলফ্রেড নোবেল তার উইলে যেসব মূল উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে গেছেন তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।”

“কারণ, শেষ পর্যন্ত এটিই তো কমিটির কাজের মূল মাপকাঠি। ফলে এটি অবশ্যই এমন একটি বিষয় হবে; যা কমিটি খোঁজার চেষ্টা করবে।”

বিশ্বজুড়ে যে তোলপাড় চলছে, তার অর্থ এই নয় যে প্রার্থীর অভাব রয়েছে কিংবা শান্তি পুরস্কার তার প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে জানিয়ে হার্পভিকেন বলেন, “পুরস্কার নিয়ে আমি চিন্তিত নই। তবে বিশ্ব কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে আমি চিন্তিত।”

Link copied!