ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
amaderkhobor24.com

দিনভর মন ভালো থাকবে সকালের যেসব অভ্যাসে

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম

দিনভর মন ভালো থাকবে সকালের যেসব অভ্যাসে

আজকাল জীবনযাপন পদ্ধতিই বদলে গেছে। অনেকেই দিন শুরু করেন মানসিক চাপ, উদ্বেগ আর কাজের ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে। এতে শুধু শরীর নয়, মনের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুটা ঠিকভাবে করতে পারলে মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সেক্ষেত্রে সকালের কয়েকটি সহজ অভ্যাস মন-মেজাজ ফুলফুরে রাখতে সাহায্য করে।

বেশিরভাগ মানুষই সকালে উঠে মোবাইল ফোন চেক করতে শুরু করেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ফোন হাতে নেওয়া উচিত নয়। এর চেয়ে নিজের মনে ইতিবাচক কিছু কথা বলা ভালো। নিজেকে বলুন, আজ আমি শান্ত থাকব বা আজকের দিনটা ভাল কাটাবো।‍‍` এতে মস্তিষ্ক ইতিবাচক সংকেত পায় এবং উদ্বেগ কমতে শুরু করে।  মন শান্ত করতে সকালে উঠে কিছুক্ষণ মেডিটেশনও করতে পারেন।

সকালে অন্তত ৫-১০ মিনিট সূর্যের আলোতে থাকা জরুরি। প্রাকৃতিক আলো শরীরে সেরোটোনিন হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে, যা মন ভাল রাখতে সাহায্য করে। বাড়ির কাছে কোনো পার্ক বা মাঠ না থাকলে বারান্দা, ছাদ বা রাস্তায় হালকা হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। এতে শরীর ও মন দুটোই চাঙা হয়।

শরীর-মন ভালো রাখতে সকালের হালকা ব্যায়াম বা স্ট্রেচিংও খুব উপকারী। এতে রক্তসঞ্চালন বাড়ে, মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছায় বেশি পরিমাণে। এর ফলে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। যাদের কাজের চাপ বেশি, তাদের জন্য এই অভ্যাস খুবই জরুরি।

সকালে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। সারা রাত ঘুমের পর শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। পানি খেলে শরীর সতেজ হয়। সেই সঙ্গে ক্লান্তি কমে।

খাবারের ক্ষেত্রেও কিছুটা সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সকালে প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, দই, বাদাম বা স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতা খেতে পারেন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকে এবং হঠাৎ ক্লান্তি আসে না। অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

এছাড়া, দিনে কয়েকবার নিজেকে একটি প্রশ্ন করতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন, ‍‍`আমি যা করছি, তা কি আমার মস্তিষ্কের জন্য ভাল?‍‍` এই সচেতনতা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের এসব ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনে। তাই দিনের শুরুটা সচেতনভাবে করলে মানসিক চাপ কমে। আর মন ভালো থাকলে কাজের দক্ষতাও বাড়ে।

Link copied!