সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধসহ চারটি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ ভবনের সরকারদলীয় সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিএনপির সংসদ সদস্যদের (এমপি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
এছাড়া এই অধ্যাদেশগুলো এখন পাস না হলেও পরে তা সংশোধন বা সংযোজন-বিয়োজন করে সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হতে পারে বলে জানানো হয়। তাই এসব অধ্যাদেশ সম্পর্কে বক্তব্য, বিবৃতি, নোটিশ দিতে সতর্ক থাকতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছেন সংসদ নেতা। এর বাইরে সংসদ সদস্যদের আক্রমণাত্মক বা ভুল তথ্য দিয়ে বক্তব্য না দেওয়া, সঠিক সময়ে সংসদে উপস্থিত থাকা, তথ্যভিত্তিক বক্তব্য রাখতেও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারদলীয় একাধিক সংসদ সদস্য জানান, প্রধানমন্ত্রী সভায় আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সংসদে অসত্য তথ্য উত্থাপন না করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। কোনো আক্রমণাত্মক বক্তব্য না দিয়ে গঠনমূলক বক্তব্য দিতে বলেছেন। এছাড়া যে যে বিষয়ে দায়িত্বশীল, তাকেই সে সে বিষয়ে কথা বলতে হবে। বিশেষ করে যার যতটুকু বক্তব্য কিংবা পয়েন্ট উত্থাপন করা প্রয়োজন, তিনি ততটুকুই দেবেন। অতিরিক্ত বক্তব্য কিংবা মন্তব্য করা যাবে না।
সরকারদলীয় এক সংসদ সদস্য বলেন, ১৩৩ অধ্যাদেশের মধ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম, উচ্চ আদালতের সচিবালয় এবং বিচারপতি নিয়োগসংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই করে পাস করা হবে। সে ক্ষেত্রে তাদের এসব বিল নিয়ে দলের অবস্থান কী, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, আমরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেছি। সংসদে বিলগুলো পাসের ক্ষেত্রে সবার ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে এবং সবাই যেন যথাসময়ে সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থাকেন, সে বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।