ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
amaderkhobor24.com

হরমুজে একাধিক ড্রোন হামলা ইরানের, প্রতিহতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

হরমুজে একাধিক ড্রোন হামলা ইরানের, প্রতিহতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এরপরও প্রণালি অতিক্রম করতে চাওয়া জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছে তেহরান। শনিবার (১৩ জুন) মার্কিস সামরিক বাহিনী বলেছে, এসব হামলা প্রতিহত  করা হয়েছে। 

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, গত কয়েক ঘণ্টায় একাধিক ড্রোন ছুড়েছে ইরান। এসব ড্রোন হরমুজ প্রণালি পার হতে যাওয়া বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলছে, মার্কিন বাহিনী গত কয়েক ঘণ্টায় ছোড়া ড্রোনের সবকটিই ভূপাতিত করেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিকভাবেই অব্যাহত রয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। এটি স্বাভাবিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।এর আগে গত বুধবার রাতে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইরান। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেট অথরিটি (পিজিএসএ) এক পোস্টে বলেছে, ‘এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের কারণে সৃষ্ট উত্তেজনা এবং গত রাতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হরমুজ প্রণালি।’

সংস্থাটি বলেছে, ‘যাদের চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, সেই আবেদনকারীদের ধৈর্য ধারণ এবং পিজিএসএর নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে।’

গত সোমবার হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। ইরান এটি ভূপাতিত করেছে এমন দাবি করে তাদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মঙ্গলবার রাতে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌ সেনারা। তাদের হামলার পর ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়।

এসব হামলা ও পাল্টা হামলার পর লড়াই থামলেও বুধবার মাঝরাতে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে করে গত এপ্রিলে হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে পড়ে যায়। এখন ইরান এটিকে অর্থহীন হিসেবেই বিবেচনা করছে। 

Link copied!