ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির পূর্বশর্ত পূরণ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্ধারিত আলোচনা শেষ মুহূর্তে বাতিল হতে পারে। শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে পৃথক বৈঠকও করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, তেহরান স্পষ্টভাবে বলছে—তাদের নির্ধারিত পূর্বশর্ত বা ‘রেডলাইন’ অমান্য করা হলে কোনো ধরনের আলোচনায় অংশ নেবে না।
ইরানি পক্ষের অবস্থান অনুযায়ী, যে আলোচনা তাদের স্বার্থ ও শর্তকে নিশ্চিত করবে না, তা থেকে সরে দাঁড়ানোও তারা একটি কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে বিবেচনা করে।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত আলোচনা শুরু হবে না।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, কাতারসহ বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে থাকা ইরানি অর্থ ছাড়ের বিষয়ে তারা কোনো অনুমোদন দেয়নি। অন্যদিকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
দুই পক্ষের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণে ইসলামাবাদে সম্ভাব্য আলোচনার ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
সূত্র: বিবিসি