ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
amaderkhobor24.com

এবার বাড়েনি বৈশাখের অর্থনীতি‌

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১০:২৭ এএম

এবার বাড়েনি বৈশাখের অর্থনীতি‌

পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন—বাংলাদেশের মানুষের কাছে শুধু একটি সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, এটি এখন একটি বড় অর্থনৈতিক ঘটনার নাম। প্রতি বছর এই দিনকে ঘিরে দেশের বাজারে তৈরি হয় বিপুল লেনদেন, বাড়ে ভোক্তা চাহিদা, চাঙা হয় উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা। পোশাক, খাদ্য, হস্তশিল্প, ফুল, মেলা, বিনোদন—সব মিলিয়ে বৈশাখ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক মৌসুমে পরিণত হয়েছে। তবে এই অর্থনৈতিক উচ্ছ্বাসের মধ্যেও রয়েছে কিছু কাঠামোগত দুর্বলতা, বৈষম্য এবং নীতিগত চ্যালেঞ্জ।

হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক স্রোত

বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও সংশ্লিষ্ট খাতের হিসাব অনুযায়ী, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে দেশে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়। আবার সামগ্রিকভাবে বৈশাখ ঘিরে বাণিজ্যের পরিমাণ ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছায়। শুধু পোশাক খাতেই বিক্রি হয় প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার পণ্য।

ফ্যাশন হাউজগুলোর উদ্যোক্তারা জানান, তাদের সারা বছরের মোট বিক্রির একটি বড় অংশ আসে উৎসবভিত্তিক বাজার থেকে। রোজার ঈদে যেখানে অর্ধেকের বেশি বিক্রি হয়, সেখানে পহেলা বৈশাখে হয় প্রায় ২৫ শতাংশ। ফলে বৈশাখ এখন দেশের পোশাক শিল্পের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৌসুম। কেরানীগঞ্জ, ইসলামপুর ও নবাবপুরের পাইকারি বাজারগুলো বৈশাখী অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্র। সারা দেশের অর্ধেক বৈশাখী পোশাক তৈরি হয় কেরানীগঞ্জে। বৈশাখের এক মাস আগে থেকেই এখানে পাইকারি বেচাকেনা শুরু হয়। প্রতিদিন একেকটি দোকানে দুই লাখ থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হওয়া এখন সাধারণ ঘটনা।

শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়া উৎসব

রাজধানীর নিউ মার্কেট, গাউছিয়া, এলিফ্যান্ট রোড, গুলশান, মিরপুর ও উত্তরার মার্কেটগুলোতে বৈশাখী কেনাকাটায় ক্রেতাদের ঢল নামছে। বিশেষ করে তরুণ-তরুণী ও নারী ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি। মিরপুর বেনারসি পল্লিতেও প্রতিদিন শতাধিক শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। তবে এই উৎসব এখন আর শহরে সীমাবদ্ধ নেই। গ্রামবাংলার আনাচকানাচেও বৈশাখের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। মেলা, পিঠা-পুলি, বাঁশ-বেতের পণ্য, মাটির তৈরি সামগ্রী—সব মিলিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও তৈরি হচ্ছে নতুন গতি। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই গ্রামীণ অংশটিই বৈশাখী অর্থনীতির প্রাণ।

অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, গ্রামীণ মেলা ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পণ্য যত বেশি বিক্রি হবে, ততই গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হবে। ফলে বৈশাখ শুধু নগর অর্থনীতির নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতিরও একটি বড় চালিকাশক্তি।

হালখাতা: ঐতিহ্যের অর্থনৈতিক রূপ

পহেলা বৈশাখের অন্যতম প্রাচীন অনুষঙ্গ হালখাতা। ব্যবসায়ীরা নতুন খাতা খুলে পুরোনো দেনা-পাওনা পরিশোধ করেন এবং ক্রেতাদের আপ্যায়ন করেন। দেশে ৭০ লাখের বেশি দোকান ও খুচরা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিটি দোকানে গড়ে ১০ হাজার টাকা ব্যয় ধরলে হালখাতা ঘিরেই ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়।

তবে সময়ের পরিবর্তনে এই ঐতিহ্যে এসেছে পরিবর্তন। অনেক ক্ষেত্রে দোকানভিত্তিক আয়োজনের পরিবর্তে কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠান হচ্ছে। আবার বাকির খাতার পরিবর্তে নগদ লেনদেন বাড়ায় ব্যবসায়ী-ক্রেতার সম্পর্কের ঐতিহ্যগত উষ্ণতাও কিছুটা কমেছে।

এসএমই খাতের বড় সুযোগ

বৈশাখ ঘিরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য তৈরি হয় বড় সুযোগ। এবারের রাজধানীতে আয়োজিত এসএমই বৈশাখী মেলায় ১৫০টির বেশি উদ্যোক্তা অংশ নিয়েছেন। এখানে হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য, ফ্যাশন সামগ্রী, খাদ্যপণ্যসহ নানা ধরনের পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে।

ফুল, মিষ্টি ও অন্যান্য খাত

বৈশাখে ফুলের বাজারেও বড় উত্থান ঘটে। প্রতিদিন ৩০-৩৫ লাখ টাকার ফুল বিক্রি হলেও এই মৌসুমে তা বেড়ে ৬০-৭০ কোটি টাকায় পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

একইভাবে মিষ্টি, পিঠা, কুটিরশিল্প, মাটির পণ্য—সব খাতেই বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়। তবে মৃৎশিল্পীরা বলছেন, প্লাস্টিক পণ্যের দাপটে তাদের বাজার সংকুচিত হচ্ছে। বৈশাখই তাদের জন্য বছরের সবচেয়ে বড় বিক্রির সময়, যা দিয়ে তারা বছরের অন্য সময়ের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চান।

পান্তা-ইলিশ: সংস্কৃতি না বাজার চাপ?

বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশ—এই ধারণা এখন সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাবও রয়েছে। বৈশাখ ঘনিয়ে এলেই ইলিশের দাম বেড়ে যায়। বর্তমানে এক কেজি ইলিশ ২৬০০ থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় ২০-৩০ শতাংশ বেশি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে মজুতদারি ও অবৈধ বাণিজ্য বাড়ে, যা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। ফলে সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন।

সংকটের ছায়া: যুদ্ধ ও জ্বালানি প্রভাব

এবারের বৈশাখী বাজারে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো জ্বালানি সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সরকার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

বাংলা নববর্ষকে ঘিরে প্রতিবছর জমে ওঠা কেনাকাটার উৎসব এবার অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, বৈশাখে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত কেনাকাটার যে প্রবণতা দেখা যায়, চলতি বছরে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, আমরা রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ ছিল, তবু তেলের অভাবে অনেক ক্রেতাই বাসা থেকে বের হননি।

তিনি আরও বলেন, সাধারণত বৈশাখকে কেন্দ্র করে বাজারে অন্তত ১০ শতাংশ লেনদেন বৃদ্ধি পায়। তবে এবার সেই প্রবৃদ্ধি দেখা যায়নি, বরং আগের তুলনায় লেনদেন কমেছে।

সব মিলিয়ে, চলতি বছরের বৈশাখকে ঘিরে প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক গতি তৈরি হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এবারের বৈশাখের অর্থনীতি বড় হওয়ার পরিবর্তে বরং ছোট হয়েছে।”

অনেক ফ্যাশন উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, প্রস্তুত করা পোশাকের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিক্রি না হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কারণ, ক্রেতাদের প্রধান কেনাকাটার সময় সন্ধ্যার পর, অথচ সেই সময়ই দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

কিছু দোকানে বিক্রি ভালো হলেও অনেক দোকানে ক্রেতা নেই। ফলে বাজারে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

গ্রামীণ অর্থনীতির বাস্তবতা

বৈশাখী অর্থনীতির বড় অংশ গ্রামীণ হলেও সেখানে রয়েছে চ্যালেঞ্জ। অনেক গ্রামে এখন আগের মতো মেলা বসে না, লোকজ সংস্কৃতি কমে গেছে, কৃষকের আয় কমে যাওয়ায় উৎসবের আনন্দও সীমিত হয়ে পড়েছে।

মৃৎশিল্পী, তাঁতি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বলছেন, তাদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য তারা পান না। মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে পণ্যের দাম শহরে কয়েকগুণ বাড়লেও উৎপাদকরা বঞ্চিত থাকেন।

গ্রামে ফিকে বৈশাখ, শহরে জমজমাট

দেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেমন জি ইউকে রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনে বর্ষবরণের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। নতুন বছরকে বর্ণিলভাবে বরণ করতে শেষ মুহূর্তে সাজসজ্জা ও আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকরা।

তবে এই উৎসবের চিত্র শহর ও গ্রামের মধ্যে ভিন্ন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। একসময় সবুজে ঘেরা গ্রামগুলোই ছিল বর্ষবরণের প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু এখন সেই চিরচেনা গ্রামীণ বৈশাখ যেন অনেকটাই ম্লান।

গ্রামে আর দেখা যায় না কাঠের বাক্সে তুলে রাখা কাপড় রোদে দিয়ে নতুন বছরের প্রস্তুতির দৃশ্য। খড় বিছানো জোছনা রাতে কৃষক-কিষানিদের মিলনমেলা, গল্প-আড্ডা কিংবা জারি, সারি, বাউল বা ভাটিয়ালির সুর—সবই এখন স্মৃতির অংশ। কৃষিনির্ভর জীবনের পরিবর্তন, ব্যয় বৃদ্ধি এবং আয়ের অনিশ্চয়তা গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে।

কৃষকরা জানান, কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি এবং উৎপাদিত ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় তারা চরম সংকটে রয়েছেন। তার ওপর খরা, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। পাশাপাশি এনজিওগুলোর সাপ্তাহিক কিস্তির চাপও তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। ফলে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের আনন্দ তাদের কাছে এখন অনেকটাই গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে।

দেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের গ্রামগুলোতেও একই চিত্র। হিন্দু সম্প্রদায়ের পাড়াগুলোতে বর্ষবরণের ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান, কুটুমবাড়িতে উপহার পাঠানো কিংবা চরক পূজার মতো আয়োজন অনেকটাই কমে গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এসব রীতিনীতি হারিয়ে যাচ্ছে।

একসময় বৈশাখকে ঘিরে গ্রামে জমজমাট মেলা বসতো। হাটখোলা, বটতলা কিংবা পালপাড়াগুলোতে ছিল উৎসবের আমেজ। এখন সেই মেলার সংখ্যা কমে গেছে। ফলে মাটির তৈরি তৈজসপত্র ও খেলনার চাহিদা কমে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কুমারশিল্পীরা। তারা বলছেন, পরিশ্রম অনুযায়ী মূল্য না পাওয়ায় এই পেশায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এছাড়া পহেলা বৈশাখের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য ‘হালখাতা’ও হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামাঞ্চল থেকে। আগে দোকানপাটে রঙিন কাগজ দিয়ে সাজানো হালখাতার আয়োজন থাকলেও এখন তা অনেকটাই কমে গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বাকির খাতায় আস্থা কমে যাওয়ায় এখন বেশিরভাগ লেনদেন সাপ্তাহিক ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়। এমনকি কোথাও কোথাও হালখাতার আয়োজন দোকানের পরিবর্তে কমিউনিটি সেন্টারে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে, যেখানে মিষ্টির বদলে পোলাও-মাংস বা বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও পড়েছে এর প্রভাব। আগে বৈশাখ উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিল্পীরা অংশ নিতেন, যা তাদের আয়ের একটি উৎস ছিল। কিন্তু এখন সেই আয়োজন কমে যাওয়ায় শিল্পীদের জীবন-জীবিকাও সংকটে পড়েছে। অনেক শিল্পীই বলছেন, জীবিকার তাগিদে অন্য কাজে সময় দিতে গিয়ে তারা সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সময়ের পরিক্রমায় গ্রামীণ ঐতিহ্যভিত্তিক বৈশাখ ধীরে ধীরে আধুনিক নগরকেন্দ্রিক উৎসবে রূপ নিচ্ছে। ফলে বাঙালির শেকড়ের এই আয়োজন তার মৌলিক বৈশিষ্ট্য হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে।

ঐতিহ্য থেকে আধুনিকতায় রূপান্তর

বাংলা নববর্ষের সূচনা হয়েছিল সম্রাট আকবরের আমলে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির প্রয়োজনে। সেই গ্রামীণ শিকড়ের উৎসব এখন অনেকটাই শহরমুখী। রমনার বটমূলে শোভাযাত্রা, শপিং মলে কেনাকাটা, রেস্তোরাঁয় পান্তা-ইলিশ—এসব এখন আধুনিক বৈশাখের চিত্র।অপরদিকে, গ্রামের বৈশাখ ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে। মেলা কমছে, লোকজ বিনোদন হারিয়ে যাচ্ছে, আর আধুনিকতার প্রভাবে ঐতিহ্যগত অনেক আয়োজন বিলুপ্তির পথে।

সামনে করণীয়

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বৈশাখী অর্থনীতিকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে কয়েকটি পদক্ষেপ জরুরি। সেগুলো হলো—গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের সরাসরি বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি। ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য বিপণনের সুযোগ বৃদ্ধি। হস্তশিল্প ও কারুশিল্পে প্রণোদনা ও প্রশিক্ষণ। বাজারে মজুতদারি ও কারসাজি নিয়ন্ত্রণ। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ঋণ সুবিধা।

Link copied!