ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
amaderkhobor24.com

দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেবে সরকার

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০৯:০২ এএম

দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেবে সরকার

ছবি: সংগৃহীত

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে সাফল্যের দিক থেকে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশ রীতিমতো প্রতিযোগিতা করছে, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশও। দেশের কয়েক লাখ মানুষ ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। এবার ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে একটি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে দেওয়া হবে কার্ড। এমনকি, কয়েক হাজার তরুণকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার মহাপরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৯তম দিন বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকালে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বিভিন্ন সংস্থা/দফতর তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নানাবিধ পরিকল্পনা ও কার্যক্রম নিয়েছে। ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর পাঁচ বছরে এক হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে এবং একই সময়ে দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে সাড়ে সাত হাজার ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং এর কার্যক্রম চলমান।”

তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২০২৬ সালে দুই হাজার ৪০০ জনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং (এমএল) এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো উচ্চপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ত্বরান্বিত করতে ৮৩টি সেবা অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে এবং আগামী এক বছরে আরও ১০টি নতুন সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হাই-টেক/সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারসমূহ কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য এবং বাংলাদেশে পেপালের কার্যক্রম শুরু করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে ২০টি ব্যাচে এক হাজার আন্ডার গ্র্যাজুয়েট/গ্র্যাজুয়েটদের আইটিইই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিসিসির মাধ্যমে পাঁচ হাজার ২০ জন চাকরি প্রার্থী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের এআই, মোবাইল অ্যাপ্স ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালাইটিক্স, সাইবার সিকিউরিটিসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণসহ এক বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।”

সরকার প্রধান বলেন, “নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ওয়াইফাই (উইমেন ইন আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ) বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আইটিইই প্রশিক্ষণের আওতায় এপ্রিল-২০২৬ সেশনে ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ জন শিক্ষার্থীর প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। ৪০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ২০ জন নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ওয়াইফাই প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে।”

Link copied!