গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পাত্রী পক্ষের অপছন্দে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সুজন মিয়া (২২) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর দীঘলকান্দী গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
মৃতের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, সুজন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের জন্য পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার পাত্রী দেখা হলেও বিভিন্ন কারণে কনেপক্ষ তাকে পছন্দ করেনি। বিষয়টি তাকে গভীরভাবে আঘাত করে এবং ধীরে ধীরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। এর মধ্যে সুজনের মাথার বড় চুল নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় এবং তাদের সঙ্গে কয়েকদিন ধরে কথা বন্ধ ছিল।
এর মধ্যেই গতকাল শনিবার রাতে খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমাতে যায় সুজন। পরদিন সকালে অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পায়।
সুজনের দাদা কাবেল সরকার মোবাইল ফোনে বলেন, অনেকদিন থেকেই আমার ভাতিজার ছেলে সুজন বিয়ে করতে চায়। আমরাও অনেক কনে দেখিছি। কিন্তু কনে পক্ষের লোকজন সুজনকে দেখে পছন্দ করে না। এর মধ্যেই গতকাল রাতেই সে আত্মহত্যা করে।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।