ঢাকা রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
amaderkhobor24.com

প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাস, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে যা মিলল

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৬, ১১:২৬ এএম

প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাস, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে যা মিলল

‘এমভি হন্ডিয়াস’ প্রমোদতরীর এক ফরাসি যাত্রীর শরীরে শনাক্ত হওয়া হান্টা বা আন্দিজ ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করেছে ফ্রান্সের পাস্তুর ইনস্টিটিউট। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি দক্ষিণ আমেরিকায় আগেই শনাক্ত হওয়া ভাইরাসের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। ভাইরাসটি আগের চেয়ে বেশি সংক্রামক বা মারাত্মক হয়ে উঠেছে এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট জানিয়েছেন, বিশ্লেষণ করা ভাইরাসটি দক্ষিণ আমেরিকায় ইতোমধ্যে পরিচিত এবং নজরদারিতে থাকা ভাইরাসের অনুরূপ। এই পর্যায়ে এমন কোনও উপাদান পাওয়া যায়নি যা ইঙ্গিত করে যে, ভাইরাসটি আরও বেশি সংক্রামক বা মারাত্মক রূপ নিয়ে আবির্ভূত হতে পারে।

পাস্তুর ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ওই ফরাসি যাত্রীর শরীরে পাওয়া ভাইরাসটি প্রমোদতরীর অন্যান্য আক্রান্তদের ভাইরাসের সঙ্গে মিলে যায় এবং এটি দক্ষিণ আমেরিকায় ছড়িয়ে থাকা আন্দিজ ভাইরাসের নমুনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট বলেন, এই সিকোয়েন্সিংয়ের কাজ আমাদের ভাইরাসটিকে আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং নিবিড় স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। এই সংক্রান্ত তথ্য আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী মহলের সঙ্গে শেয়ার করা হবে বলেও জানান তিনি।জানা গেছে, ‘এমভি হন্ডিয়াস’ প্রমোদতরীতে ভ্রমণের পর ওই ফরাসি নারীর দেহে ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। বর্তমানে প্যারিসে তার চিকিৎসা চলছে। ফরাসি কর্তৃপক্ষ এর আগে জানিয়েছিল যে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

উক্ত প্রমোদতরীতে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১১ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৯ জনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ক্রুজ শিপটিতে থাকা এক ডাচ দম্পতিসহ মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ধারণা, দক্ষিণ আমেরিকা ভ্রমণের সময় ওই ডাচ দম্পতিই প্রথম এই ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছিলেন।

Link copied!