ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
amaderkhobor24.com

গোলাবারুদ নিয়ে ইসরায়েলে নামল কয়েক ডজন মার্কিন বিমান, ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি

আমাদের খবর ২৪

প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

গোলাবারুদ নিয়ে ইসরায়েলে নামল কয়েক ডজন মার্কিন বিমান, ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি

ছবি:সংগৃহীত

ইসরায়েলে গোলাবারুদ বোঝাই যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন কার্গো বিমান পৌঁছেছে। জার্মানির বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে আসা এসব বিমান গত ২৪ ঘণ্টায় তেল আবিবে অবতরণ করেছে বলে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৩ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এই গোলাবারুদ সরবরাহ করছে।

এর আগে, গত শনিবার মধ্যপ্রাচ্যের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর ইরানের ওপর পুনরায় বড় ধরনের হামলা চালানোর লক্ষ্যে সবচেয়ে ‍‍`জোরালো প্রস্তুতি‍‍` শুরু করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী সপ্তাহেই ইরানের পরমাণু কেন্দ্র ও খারগ দ্বীপকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল। 

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে নতুন করে হামলা চালায়, তবে ইসরায়েলি বাহিনী তাতে যোগ দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে কান জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালায়, তবে ইসরায়েল সেই অভিযানে সরাসরি অংশ নেবে। এবারের হামলার প্রধান লক্ষ্য হতে পারে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ফোনালাপ হয়। এই আলাপকালেই দুই নেতা ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় লড়াই শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, নতুন করে সংঘাত শুরুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই সামরিক বাহিনীকে ‍‍`হাই অ্যালার্ট‍‍`-এ রাখা হয়েছে। ইসরায়েল আশা করছে, যে কোনো হামলার আগে ওয়াশিংটন তাদের আগাম বার্তা দেবে। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

চ্যানেল ১২ আরও জানিয়েছে, ট্রাম্প বর্তমানে ইরানের সাথে নতুন করে যুদ্ধে না জড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছেন। বিশেষ করে চীনের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে সামরিক সংঘাত এড়ানোর জন্য বড় ধরণের চাপ দেওয়া হচ্ছে।

Link copied!