গরম পড়তেই ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হল ঘামাচি , র্যাশ আর চুলকানি। অতিরিক্ত গরমে শরীরে ঘাম জমে ব্যাকটেরিয়াজনিত কারণে ঘামাচি হয়। কোনও কারণে সেই অংশটি জামা-কাপড়ে ঘষা খেলে বা চুলকানি হলে অস্বস্তি বেড়ে যায়। গরমে শিশু থেকে বয়স্ক সকলেই এই ঘামাচির সমস্যায় ভোগেন। ঘামের সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া কিছু সমাধান অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-
১. একটা শুকনো কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ বেঁধে নিন। তারপর সেই কাপড় ১০-১৫ মিনিট ধরে ঘামাচির উপর লাগান। বরফ নতুন করে ঘাম বসতে দেবে না। দিনে ৩-৪ বার এই ভাবে বরফ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।
২. নিম পাতা অ্যান্টি সেপটিকের কাজ করে। নিম পাতার রসের সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে ঘামাচির উপর লাগালে উপকার পাবেন।
৩. সকালে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করা জরুরি। সারা দিন বাইরে বের না হলেও ত্বক পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।
৪. অ্যালোভেরা জেল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ঘামাচি তাড়াতে অ্যালোভেরার জুড়ি মেলা নেই। ঘামাচির উপর শুধু অ্যালোভেরার রস লাগালেই উপকার পাবেন। চাইলে হলুদের সঙ্গে অ্যালোভেরার রস মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন। হলুদ অ্যান্টি সেপটিকের কাজ করে। তাই এই মিশ্রণ ত্বকের জন্য উপকারী হবে।
৫. এক কাপ ঠান্ডা পানিতে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। বেকিং সোডাও ঘামাচির জায়গায় ঘাম বসতে দেয় না। পরিষ্কার কাপড় বেকিং সোডা গোলা পানি ডুবিয়ে ঘামাচির উপর ১০-১৫ মিনিট পর্যন্ত আলতো হাতে মুছতে থাকুন। এতে ঘামাচি অনেক কমে যাবে।
৬, গরমে হালকা রঙের সুতির পোশাক পরুন। এতে ত্বকের সঙ্গে কাপড়ের ঘর্ষণ কম হবে। এর ফলে ত্বক সুস্থ থাকবে।
৭, ঘামাচি হলে যতটা সম্ভব কম চুলকানোর চেষ্টা করুন। অ্যালোভেরার রস, নিম পাতার রস, পাতিলেবুর রস পানিতে মিশিয়ে পাতলা করে নিয়ে লাগাতে পারেন।
৮. ট্যালকম পাউডার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৯. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টাটকা শাকসবজি রাখুন।